এ বিষয়ে পিসিবির সাবেক মিডিয়া ডিরেক্টর এবং আইসিসির প্রাক্তন হেড অব কমিউনিকেশন সামি-উল-হাসান বার্নি পিটিআইকে বলেন, 'ক্রিকেট প্রশাসকরা যদি সতর্ক হতেন এবং মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ব্যক্তিগতভাবে জানাতেন, তাহলে এমন বিশৃঙ্খলা এড়ানো যেত। ৩ জানুয়ারির প্রকাশ্য ঘোষণাই সমস্যার মূল কারণ।'
বার্নি আরও বলেন, 'এই সিদ্ধান্ত জনসমক্ষে প্রকাশ করার প্রয়োজন ছিল না। ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ব্যক্তিগতভাবে জানিয়ে খেলোয়াড়কে ছেড়ে দেওয়া যেত এবং বিষয়টি এতদূর গড়াত না। কখনো কখনো বিচার-বুদ্ধির ভুল এমন পরিস্থিতি তৈরি করে যার প্রভাব বিস্তৃত হয়।'
এর আগে, বাংলাদেশ সরকার নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে খেলতে রাজি হয়নি। কিন্তু আইসিসি তাদের এই অবস্থানকে পাত্তা না দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়েছে। একই নীতির মধ্যে দ্বিচারিতা লক্ষ্য করে পাকিস্তান সরকার ভারতবিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেছে।
আইসিসি ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের কঠোর শাস্তির ইঙ্গিত দিয়েছে। এতে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা এবং রাজস্ব হারানোর মতো পরিণতি হতে পারে। তবে বার্নি জানান, পিসিবি এই পরিণতির বিষয় সম্পর্কে আগে থেকেই জানত এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আইনগত ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।
এমন কঠিন আর্থিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মধ্যেও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অতীত অভিজ্ঞতা আশ্বাস দেয়।