১১ দলীয় ঐক্যজোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চকে কেন্দ্র করে মুন্সীগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিতভাবে সহযোগিতা চেয়েছে দলটি।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে পৃথকভাবে অবহিতকরণ পত্র দেন জেলা জামায়াতের নেতারা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাত্রা করবে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের লংমার্চ। কর্মসূচির বহর মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ওপর দিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এ সময় সড়কের দুই পাশে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ও কর্মসূচিকে স্বাগত জানানোর আয়োজন থাকবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
লংমার্চ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছে জামায়াত। একই সঙ্গে কর্মসূচি চলাকালে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জেলা জামায়াতের আমির আ জ ম রুহুল কুদ্দুস এবং জেলা সেক্রেটারি ও ১১ দলীয় ঐক্যজোটের আহ্বায়ক মাওলানা এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজি স্বাক্ষরিত চিঠিতে লংমার্চের বিভিন্ন উদ্দেশ্য ও রাজনৈতিক দাবির কথা তুলে ধরা হয়।
দলটির উল্লেখ করা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে গণভোটে পাওয়া জনমতের বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-সারের সংকট মোকাবিলা, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে দলীয় সংকীর্ণতা পরিহার।
জামায়াত নেতারা জানান, লংমার্চের সময় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হতে পারে। তাই আগেভাগেই প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কর্মসূচির বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।
পত্র দেওয়ার সময় জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, জেলা কর্মপরিষদের সদস্য মো. আক্তার হোসেন, মো. আরশাদ আলী ঢালী, খিদির আব্দুস সালাম, আহসান উল্লাহ মন্ডল, মাওলানা এ কে এম ইউসুফ, এইচ এম বায়েজিদ, ডা. ইব্রাহীম দেওয়ান, মোহাম্মদ মজিবুর রহমান, সদর উপজেলা আমির মো. নুরুল আমিন সিকদারসহ দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নেতারা বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে লংমার্চ সম্পন্ন করতে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে কর্মসূচির কয়েক দিন আগেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস