ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভের ঘটনায় আটক হওয়ার পর সাত দিন কারাবন্দি থেকে মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রঙ্কা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আদালতে দেওয়া লিখিত অঙ্গীকারের ভিত্তিতে তাদের মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।
এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, যন্তর মন্তরে ভবিষ্যতে আর কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই দুই নেতা। এ জন্য তাদের ৫০ হাজার রুপির ব্যক্তিগত বন্ড ও জামিননামা জমা দিতে হয়েছে।
তবে মুক্তি পেলেও তাদের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত বন্ধ হচ্ছে না। মামলাটির পরবর্তী শুনানি শুক্রবার নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১৩ অক্টোবর। যন্তর মন্তরের প্রবেশপথ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও সেখানে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা হাতে প্রতিবাদ জানান সৌরভ দাস ও আশুতোষ রঙ্কা। ওই স্থানে বিক্ষোভের অনুমতি বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তারা এই কর্মসূচি পালন করেন। এর আগে ১০ অক্টোবর নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভের ডাক দেওয়ার পরও তারা আটক হয়েছিলেন। প্রসিকিউশনের দাবি, শান্তি বজায় রাখার আগের অঙ্গীকার ভঙ্গ করায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এদিকে, রিমান্ডের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন দুই নেতা। তাদের মুক্তির বিষয়টি বিবেচনায় আদালতে শান্তি বজায় রাখা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুত্ব উঠে আসে।
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপ এই আটকপ্রক্রিয়ার সমালোচনা করে অভিযোগ করেছিলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাদের কারাবাস দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে। দলটি ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধনপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগও দাবি করে আসছে।
সূত্র: এনডিটিভি
সদ্য সংবাদ/এমএ