আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের তরুণ হাফেজদের অর্জনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে বরিশালের চরমোনাই জামেয়া রশিদিয়া আহসানাবাদে সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জনকারী হাফেজ মো. নুরুদ্দিন জাকারিয়ার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হাফেজরা নিয়মিতভাবে সাফল্য অর্জন করছেন। বহু দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে তারা শীর্ষস্থান দখল করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। তাদের এই অর্জন বাংলাদেশের জন্য গৌরবের।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে যারা কৃতিত্ব অর্জন করছেন, তাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি তাদের সাফল্যকে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ১৩৩ দেশের প্রতিযোগীর মধ্যে ১৫ পারা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন হাফেজ মো. নুরুদ্দিন জাকারিয়া। তার এই সাফল্যের খবর জানতে পেরে চরমোনাই পীর তাকে, তার উস্তাদ, আর রায়হান মাদরাসার প্রিন্সিপাল মুফতি কাইয়ুম মোল্লা এবং তার বাবা মাওলানা নুরুল আমিনকে চরমোনাইতে আমন্ত্রণ জানান। পরে তাদের সম্মানে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, প্রিন্সিপাল মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের সমন্বয়ক হাসিব আর রহমানসহ চরমোনাই জামেয়ার শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে একই আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতার ৩০ পারা বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জনকারী হাফেজ মাহমুদুল হাসান আশরাফীকেও চরমোনাই পীর সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন বলে জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া প্রতিযোগিতার নারী বিভাগে বিজয়ীদের কাছেও সংবর্ধনাপত্র পৌঁছে দেওয়া হবে বলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ জানিয়েছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস