প্রকৃতির নয়নাভিরাম সৌন্দর্য, সবুজ পাহাড়ি উপত্যকা ও জলপ্রপাতের কলতানে মুখর মনোরম পরিবেশে ইতালিস্থ টাঙ্গাইল জেলা সমিতির বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইতালির আব্রুজ্জো শহরে বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র ন্যাশনাল পার্কে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ ও চমৎকার আবহাওয়ায় প্রবাসী টাঙ্গাইল বাসীর এ মিলনমেলা পরিণত হয় আনন্দ-উচ্ছ্বাসের উৎসবে। কর্মব্যস্ত প্রবাস জীবনের ব্যস্ততা ভুলে নারী, পুরুষ ও শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন ছিল প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর।
আয়োজকরা জানান এই ন্যাশনাল পার্ক ইতালির অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র। ঐতিহাসিক এই এলাকায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি রয়েছে প্রাচীন জলপ্রপাত, যা পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
উক্ত আয়োজনের আমন্ত্রণে ছিলেনঃ টাঙ্গাইল জেলা সমিতি ইতালীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আসিফ আহমেদ আকন্দ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজিব রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ খান।
সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেনঃ মির্জা সাজ্জাদ হোসেন, তালুকদার তিতাস, নাসির উদ্দিন শিপন, আবুবকর তালুকদার, শিকদার রুহেল ও নূরুল ইসলাম।
বিশেষ কৃতজ্ঞতায়ঃ ইস্রাফিল বারী, রনি হোসাইন, রাসেল মন্ডল।
সর্বিক ব্যবস্থাপনায়ঃ আহসান হাবিব মুসা, ফরমান হাসেন,, খন্দকার মনসুর আলী,, মিয়া বাবুল ও সাদ্দাম হোসেন।
সার্বিক সহযোগীতায়ঃ শহিদুল ইসলাম সুরুজ, খন্দকার তোফাজ্জল হোসেন, শামছুল হক, দেলোয়ার হোসেন ও হমায়ুন কবির।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল প্রবাসীদের প্রাণবন্ত আড্ডা, ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন, বিভিন্ন বিনোদনমূলক খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পুরুষদের জন্য হাঁড়ি ভাঙা এবং নারীদের জন্য বালিশ খেলাসহ নানা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণেও ছিল বাড়তি আনন্দ-উচ্ছ্বাস।
কর্মব্যস্ত প্রবাস জীবনের ফাঁকে এমন একটি মিলনমেলায় অংশ নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ইতালিতে বসবাসরত টাঙ্গাইল প্রবাসীরা, তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে না, বরং প্রবাসে বসবাসরত বিভিন্ন জেলার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, ভ্রাতৃত্ববোধ, ঐক্য ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং র্যাফেল ড্র মাধ্যমে নানা ধরনের পুরস্কার দেয়া হয়। একই সঙ্গে আয়োজন সফল করতে সহযোগিতা ও অংশগ্রহণকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানানো হয়। পরে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সদ্য সংবাদ/এসকে