চোটের কারণে আগের ম্যাচে একাদশের বাইরে থাকা শরিফুল ইসলাম ফিরেই নিজের সামর্থ্যের জানান দিলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টে দুর্দান্ত বোলিং করে ক্যারিয়ারে প্রথমবার টেস্টে পাঁচ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি এই পেসার।
দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে বল হাতে রীতিমতো তাণ্ডব চালান শরিফুল। মাত্র ৮.৫ ওভার বল করেই পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। একপর্যায়ে তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৩৪ রানে ৬ উইকেট যা টেস্ট ক্রিকেটে শরিফুলের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।
এর আগে টেস্টে এক ইনিংসে শরিফুলের সেরা বোলিং ছিল ২৮ রানে ৩ উইকেট। আর দুই ইনিংস মিলিয়ে তার সেরা ছিল ৫৬ রানে ৫ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সেই দুই রেকর্ডই ছাড়িয়ে গেলেন তিনি।
ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম আট ব্যাটারের মধ্যে ছয়জনকেই সাজঘরে ফেরান শরিফুল। তার শিকার হয়েছেন ট্রাভিস হেড, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, ব্যু ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ক।
বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে দ্রুততম পাঁচ উইকেট নেওয়ার তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছেন শরিফুল। ৮.৫ ওভারে ফাইফার পূর্ণ করে তিনি অবস্থান নিয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। এ তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন তাইজুল ইসলাম। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে মাত্র ৬.৫ ওভারে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন বাঁহাতি এই স্পিনার।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও শরিফুলের এই কীর্তি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। দেশটির মাটিতে টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় পেসার তিনি। এর আগে আগের টেস্টে এই কীর্তি গড়েছিলেন হাসান মাহমুদ।
এর আগে ব্যাট হাতে বাংলাদেশকে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়। মাত্র ৬৪ রানেই গুটিয়ে যায় টাইগারদের প্রথম ইনিংস। এরপর অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে শুরু থেকেই চাপ তৈরি করেন বাংলাদেশের বোলাররা। তাসকিন আহমেদ প্রথম আঘাত হানার পর বল হাতে মূল দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন শরিফুল।
সদ্য সংবাদ/এসএস