কুষ্টিয়ার মিরপুরে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার এক কৃষকলীগ নেতাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা ও পুলিশের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগে আটজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে জামায়াতের একজন নেতা এবং বিএনপির দুই নেতাকর্মী রয়েছেন। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিথলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাশকতা মামলার আসামি ওয়ার্ড কৃষকলীগ সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফিজকে আটক করা হয়। এরপর তাকে মিরপুর থানায় নেওয়া হয়।
হাফিজকে থানায় নেওয়ার খবর পেয়ে রাত ২টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হন। চিথলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে তারা আটক আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। পুলিশ নিষেধ করার পরও তারা তদবির চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পুলিশের।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একপর্যায়ে তাদের আটক করা হয়। আটক আটজন হলেন-চিথলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলাম, জামায়াত সমর্থক মারুফ, বাশার, মফিজুল প্রামাণিক, জাহাঙ্গীর হোসেন ও বাদল প্রামাণিক এবং বিএনপি নেতা মেহেরুল ইসলাম ও বিএনপি সমর্থক শহীদুল ইসলাম।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, নাশকতা মামলায় আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার তদবির করায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট দুই দলের নেতাদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি।
অন্যদিকে, নাশকতা মামলায় আটক কৃষকলীগ নেতা হাফিজুর রহমান হাফিজের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সদ্য সংবাদ/এসএস