খাগড়াছড়ির গুইমারায় মাদ্রাসাছাত্রী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে পিসিসিপির কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েস ও সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুইমারা উপজেলার বড়পিলাক এলাকায় মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার সময় শিশুটিকে একা পেয়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার পর নির্যাতন করা হয়। এ সময় তাকে হত্যার ভয় দেখানো হয়েছিল বলেও বিবৃতিতে দাবি করা হয়।
ঘটনার পর গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানায় পিসিসিপি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়ার পর আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
পিসিসিপি বলছে, এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্তের পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় এনে নিরপেক্ষভাবে বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সংগঠনটি পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে পার্বত্য অঞ্চলের সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর চিকিৎসার সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন, তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রমের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামে নারী ও শিশুসহ সব নাগরিকের নিরাপত্তায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পিসিসিপি। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথাও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস