ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য জমা দেওয়া ছয়টি মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির দুই নেতার মনোনয়নও রয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়।
সকালে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। ফলে তফসিল অনুযায়ী ২৯ অক্টোবরের ভোটে ছয়জনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ থাকল।
বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সল আমীন এবং জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ। বিএনপির এই দুই নেতার মনোনয়ন বৈধ হলেও দলীয়ভাবে শেষ পর্যন্ত কার হাতে ধানের শীষ প্রতীক যাবে, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুকের মনোনয়নও বৈধ হয়েছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। বিএনপির দুই নেতা তখন জানিয়েছিলেন, দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী তারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং পরবর্তী সময়ে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারিত হবে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রার্থিতা নিয়ে আপিলের সুযোগ রয়েছে। আগামী ৭ অক্টোবর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। পরদিন ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা। ভোটগ্রহণ হবে ২৯ অক্টোবর।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনে এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আসনটির আওতায় রয়েছে ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী উপজেলা। এ আসনে ২২টি ইউনিয়নের পাশাপাশি একটি পৌরসভা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, যাচাই-বাছাই শেষে ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ পাওয়া গেছে। এখন তফসিল অনুযায়ী পরবর্তী নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস