চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে হামলা, হত্যাচেষ্টা ও চুরির মামলায় নুরুল আলম (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জোরারগঞ্জ থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তার নুরুল আলম উপজেলার ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে ফেনীর ছাগলনাইয়া থানা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শুক্রবার সকালে তাঁকে চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৯-এ সোপর্দ করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছে পুলিশ।
জোরারগঞ্জ থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৩ জুলাই রাত পৌনে ১১টার দিকে জোরারগঞ্জ থানার কাটাছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বামনসুন্দর এলাকার দারোগারহাট বাজারের দক্ষিণ পাশে আলীশান ক্লাবের সামনে নাজিম উদ্দীন নামে এক ব্যক্তির মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে নুরুল আলমসহ কয়েকজন। এ সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, হামলায় নাজিমের মাথায় কুড়ালের কোপে গুরুতর জখম হয় এবং সেখানে ১৭টি সেলাই দিতে হয়। এ ছাড়া হকিস্টিক দিয়ে তাঁর পায়ে আঘাত করা হলে হাড়ভাঙা জখম হয়। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা নাজিমের প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের মোটরসাইকেল এবং পকেটে থাকা ৮ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পাশাপাশি মামলা করলে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল হালিম বলেন, মামলার তদন্তে নুরুল আলমের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রাথমিক সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়ার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্তে যাঁদের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওসি আরও বলেন, নুরুল আলমের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় এর আগে চুরি, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, ভাঙচুর, হুমকি, হত্যাচেষ্টা ও অস্ত্র আইনে আরও চারটি মামলা রয়েছে।
সদ্য সংবাদ/ এআর