প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা ও দায়িত্ববোধকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তাঁর মতে, যাঁরা শিক্ষকতার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারবেন এবং ভবিষ্যতে আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা রাখেন, তাঁদেরই নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার সাভারের নয়ারহাটে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চে (নিটার) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ টেক্সটাইল ফেস্ট’-এর দ্বিতীয় ও সমাপনী দিনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নীতিগত কিছু বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট নীতি ও মানদণ্ড রয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো, যাঁদের দায়িত্ব গ্রহণ ও তা যথাযথভাবে পালনের সক্ষমতা রয়েছে, তাঁদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য ভুলত্রুটি প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করেই শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের পর কিছু ক্ষেত্রে দুর্বলতা কিংবা ভুলত্রুটি তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সেসব সমস্যা চিহ্নিত করে সংশোধন ও ঘাটতি পূরণের কাজ করছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার বাকি কার্যক্রমও ভালোভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন খাত নিয়ে কাজ করছে। শিক্ষকদের কার্যক্রম ও শ্রেণিকক্ষে পাঠদান পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কার্যকরভাবে সাজাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুসহ নিটারের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, আয়োজক কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সদ্য সংবাদ/এসকে