হাতি সংরক্ষণকে পর্যটনের সম্ভাবনায় রূপ দিতে চায় সরকার: আব্দুল আওয়াল মিন্টু

শ
শেরপুর প্রতিনিধি
১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৪৯:০৫
ছবি: সংগৃহীত

শেরপুরের গারো পাহাড়ে হাতি সংরক্ষণকে পর্যটনশিল্পের সম্ভাবনায় রূপ দিয়ে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সঙ্গে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসন এবং বন্যপ্রাণী ও মানুষের নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু।

শনিবার (১০ অক্টোবর) শেরপুরের মধুটিলা ইকোপার্কে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম, গণমাধ্যমকর্মী ও হাতি সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ বন বিভাগ যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, ‘চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করা কঠিন। তাই পর্যটন খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সাফারি পার্ক, মধুটিলা ইকোপার্কসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে পর্যটনসুবিধা বাড়াতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। হাতিকে কেন্দ্র করে পর্যটন গড়ে তোলা গেলে গারো পাহাড় এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। হাতি যেখানে ভালো থাকবে, সেখানে বনও ভালো থাকবে।

তিনি আরও বলেন, এশিয়া মহাদেশের ১৩টি দেশে হাতি রয়েছে। এসব হাতি সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। হাতি একটি বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন বিভাগের লোকবল কম থাকলেও হাতি সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে আমাদেরও পরিবর্তিত হতে হবে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. সানাউল্যাহ পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক এএসএম জহির উদ্দিন আকন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নূরুল করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও হাতি সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবীরা।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা গারো পাহাড়ে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসন, বন্যপ্রাণী ও মানুষের নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে গারো পাহাড়কে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানে হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে চেক এবং এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যদের মধ্যে হাতি তাড়ানোর সরঞ্জাম বিতরণ করেন মন্ত্রী। এর আগে তিনি গারো পাহাড়ে হাতির চলাচলের পথসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে শেরপুরের ঝিনাইগাতীতেও একই ধরনের কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সদ্য সংবাদ/এসকে

সারাদেশ ব্রেকিং

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সদ্য. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় আটক ৩ সদ্য. দিল্লিতে পুলিশের হাতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সদ্য. শিশু আভানের মৃত্যুতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ইউনিভার্সেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সদ্য. ঢাকার বাস থেকে দিনে ৫২ লাখ টাকা চাঁদা আদায় সদ্য. প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা বেড়েছে, মন্তব্য রিজভীর সদ্য. সংখ্যালঘু শব্দে বিশ্বাস করে না বর্তমান সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সদ্য. অভিজিৎ ও ধ্রুব রাঠিসহ আটক সাড়ে ১২ শতাধিক, মোতায়েন ২৭ হাজার সেনা সদ্য. ভাইভা না দিয়েও চূড়ান্ত তালিকায় বিএনপি নেতার স্ত্রী সদ্য. জীবদ্দশায় বিষ, মৃত্যুর পর হাদিকে পুঁজি করে রাজনীতি করছে জামায়াত-এনসিপি: রাশেদ খাঁন সদ্য. বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সদ্য. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় আটক ৩ সদ্য. দিল্লিতে পুলিশের হাতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সদ্য. শিশু আভানের মৃত্যুতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ইউনিভার্সেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সদ্য. ঢাকার বাস থেকে দিনে ৫২ লাখ টাকা চাঁদা আদায় সদ্য. প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা বেড়েছে, মন্তব্য রিজভীর সদ্য. সংখ্যালঘু শব্দে বিশ্বাস করে না বর্তমান সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সদ্য. অভিজিৎ ও ধ্রুব রাঠিসহ আটক সাড়ে ১২ শতাধিক, মোতায়েন ২৭ হাজার সেনা সদ্য. ভাইভা না দিয়েও চূড়ান্ত তালিকায় বিএনপি নেতার স্ত্রী সদ্য. জীবদ্দশায় বিষ, মৃত্যুর পর হাদিকে পুঁজি করে রাজনীতি করছে জামায়াত-এনসিপি: রাশেদ খাঁন