শেরপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আদালত প্রাঙ্গণে এক নারীকে মারধর, হত্যাচেষ্টা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আব্দুর রশিদ (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে শেরপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের নিচে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী লাইলী বেগমের (৪৫) ভাসুর মো. মোজাম্মেল মোল্লা শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লাইলী বেগম শেরপুর সদর উপজেলার বেতমারী-ঘুঘুরাকান্দি ইউনিয়নের ঘুঘুরাকান্দি নিসামপুর মোল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে চারটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। রোববার ওই মামলাগুলোর একটিতে হাজিরা দিতে লাইলী বেগমসহ কয়েকজন আদালতে যান।
অভিযোগে বলা হয়, আদালতে হাজিরা শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন মামলার সাক্ষী লাইলী বেগমকে গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে এবং মাটিতে ফেলে মারধরের মাধ্যমে তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় তাঁর গলায় থাকা আট আনা ওজনের আনুমানিক ১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
পরে আদালত চত্বরে থাকা স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহত লাইলী বেগমকে উদ্ধার করে শেরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ সাংবাদিকদের বলেন, আদালত প্রাঙ্গণ থেকে আব্দুর রশিদ (৪৫) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সদ্য সংবাদ/ এআর