পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের ঘটনায় গর্ভপাত ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি মো. সোহাগ শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৮। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানাধীন রঙ্গশ্রী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহাগ শিকদার কলাপাড়া থানার চাকামইয়া গ্রামের মো. ফোরকান শিকদারের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা লোহার রড, কাঠের চেরা ও ইট দিয়ে ভুক্তভোগী তানিয়া বেগম ও তাঁর স্বামীকে মারধর করেন। এতে তাঁরা গুরুতর আহত হন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া এবং তানিয়া বেগমকে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মারধরের একপর্যায়ে আহত অন্তঃসত্ত্বা তানিয়া বেগমকে কলাপাড়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর সাত মাসের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। পরে নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় তানিয়া বেগম বাদী হয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর কলাপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় সোহাগ শিকদারসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং আরও তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর প্রধান অভিযুক্ত সোহাগ শিকদারসহ অন্যরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
এসআরবি-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প ও বরিশালের সদর কোম্পানির যৌথ অভিযানিক দল সোহাগ শিকদারকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালীর কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ।
সদ্য সংবাদ/ এআর