চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে যুবদল নেতা তারেক হোসেন বাপ্পী হত্যার ঘটনায় ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ আরিফসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।
পুলিশের ভাষ্য, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত বাপ্পীর সঙ্গে মো. আরিফ হোসেন ও তাঁর সহযোগীদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তাঁদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে বাপ্পী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার সতর্ক করেছিলেন। তবে বিরোধের জেরে আরিফ ও তাঁর সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে বাপ্পী ও শাওনের ওপর হামলা চালান। এতে বাপ্পীর মৃত্যু হয়।
এদিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাপ্পীর মা জমিলা খাতুন বাদী হয়ে শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ১৮ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি আরিফকে মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ডের অলিনগর মোড়ে আরিফ ও তাঁর সহযোগীদের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা তারেক হোসেন বাপ্পী। এ ঘটনায় তাফসির আলম শাওন নামে আরও এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন।
সদ্য সংবাদ/এআর