বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বিপন্ন জীবন, দিয়াকে বাঁচাতে আপনার সহায়তা প্রয়োজন

স
সদ্য সংবাদ ডেস্ক
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:০৪:১২
ছবি: সংগৃহীত

তিন মাস ধরে হাসপাতালের শুভ্র বিছানা হয়ে উঠেছে নাসিবা রহমান দিয়ার স্থায়ী ঠিকানা। বরিশালের গৌরনদী এলাকার পালরদী মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীকে ঘিরে তার মায়ের আকাশ ছোঁয়ার কত না স্বপ্ন ছিল। কিন্তু আকস্মিক একমুহূর্তেই যেন ঘোর অমানিশা এসে ঘিরে ধরল সব আলো।

গত ৩ জুলাইয়ের সেই বিভীষিকাময় গোধূলিলগ্নে দোতলার সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় বারান্দার পাশে থাকা উচ্চচাপের বৈদ্যুতিক তারে স্পর্শ লাগে দিয়ার। মুহূর্তে ঝলসে যায় তার শরীর। জীবন বাঁচানোর কঠিন লড়াইয়ে চিকিৎসকরা প্রাণপণ চেষ্টায় মেয়েটিকে বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম হলেও হারিয়ে গেছে তার স্বাভাবিক জীবন।

রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দিন-রাত চলছে দিয়াকে সারিয়ে তোলার যুদ্ধ। গুরুতর দগ্ধ হওয়ায় চিকিৎসকদের চরম সিদ্ধান্ত মেনে কেটে বাদ দিতে হয়েছে তার ডান হাত। তবু শেষ হয়নি এই করুণ অধ্যায়ের; সামনে আরও একাধিক জটিল অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতালে মেয়ের শয্যাপাশে অপলক দৃষ্টিতে বসে থাকেন মা ফাতেমা খানম। দিন ও রাতের পার্থক্য ঘুচে গেছে তার চোখ থেকে। ব্যান্ডেজে ঢাকা ছোট্ট শরীর আর শুকনো মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিঃশব্দে গাল বেয়ে পড়ে অশ্রু।

স্বামীহারা ফাতেমার সংগ্রামের গল্পটা বেশ পুরনো। একাই হাল ধরেছিলেন সংসারের। বেসরকারি কলেজের সীমিত আয়ের চাকরিতে চলত দুই মেয়ের পড়াশোনা। বড় মেয়েটি এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী; কিন্তু ছোট বোনের জীবন বাঁচাতে সেও এখন মায়ের সঙ্গে হাসপাতালের চার দেয়ালে বন্দি। এতে তারও পড়াশোনা এবং পরীক্ষার সম্ভাবনা অনিশ্চয়তার মুখে।

চিকিৎসকরা প্রাণপণ চেষ্টায় মেয়েটিকে বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম হলেও হারিয়ে গেছে তার স্বাভাবিক জীবন

চার দেয়ালের মধ্যে আটকে থাকা পরিবারটি আজ গভীর আর্থিক সংকটে নিমজ্জিত। প্রতিনিয়ত মা-মেয়ের খাবার, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও জটিল চিকিৎসার বিপুল খরচের চাপ সামলাতে তারা দিশাহারা। তবু জীবনের এত বড় আঘাতের পর দিয়ার নিষ্পাপ চোখে রয়ে গেছে বাঁচার আর স্বপ্ন দেখার গভীর আকুতি। তবে সেই স্বপ্নের পথ কতটা দুর্গম, তা হয়তো এই ছোট্ট মেয়ে নিজেও বোঝে না।

দিয়ার স্বাভাবিক জীবনে ফেরা এবং চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন প্রচুর অর্থ, যা জোগানো এই নিঃস্ব পরিবারের পক্ষে এক অসম্ভব লড়াই। সমাজের সুহৃদ, হৃদয়বান ও বিত্তবান মানুষের সামান্য সহযোগিতাই পারে ওর জীবনে আবারও আশার আলো জ্বালাতে।

সহযোগিতা পাঠানোর উপায়

বিকাশ: ০১৮৫৪৭০৫৭৫৭

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

হিসাবের নাম: Fatema khanam

অ্যাকাউন্ট নম্বর: 031290102496

সোনালী ব্যাংক, গৌরনদী শাখা, বরিশাল
সূত্র: আগামীর সময়

সদ্য সংবাদ/এআর

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. আমাদের একমাত্র পরিচয় বাংলাদেশি, এই দেশ আপনার–আমার–সবার: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাতে একমত ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সদ্য. বিরোধীদলের ওপর গোয়েন্দাগিরির বার্তা অত্যন্ত বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ সদ্য. আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না তা কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জানতে পারবেন: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ফুরিয়ে আসছে অর্থ, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মানলেও পতন মানতে নারাজ ইরান সদ্য. সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ পাঠাচ্ছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ চিঠিতে যা আাছে সদ্য. ‘এখন থেকে ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে’, কুরিয়ার সার্ভিসের গুদামে হামলা-লুটপাট সদ্য. পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে প্রত্যাহার সদ্য. প্রধানমন্ত্রীর এক ক্লিকেই ১২ কোটি টাকা পেলেন ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষি সদ্য. আমাদের একমাত্র পরিচয় বাংলাদেশি, এই দেশ আপনার–আমার–সবার: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাতে একমত ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সদ্য. বিরোধীদলের ওপর গোয়েন্দাগিরির বার্তা অত্যন্ত বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ সদ্য. আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না তা কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জানতে পারবেন: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ফুরিয়ে আসছে অর্থ, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মানলেও পতন মানতে নারাজ ইরান সদ্য. সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ পাঠাচ্ছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ চিঠিতে যা আাছে সদ্য. ‘এখন থেকে ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে’, কুরিয়ার সার্ভিসের গুদামে হামলা-লুটপাট সদ্য. পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে প্রত্যাহার সদ্য. প্রধানমন্ত্রীর এক ক্লিকেই ১২ কোটি টাকা পেলেন ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষি