দেশের গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নতুন একটি কার্গো থেকে গ্যাস খালাস শুরু হয়েছে। সিঙ্গাপুরের বিপি থেকে স্পট মার্কেটের মাধ্যমে কেনা এলএনজি নিয়ে ‘ওয়েন চেং’ নামের জাহাজটি মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে পৌঁছানোর পর শুক্রবার সকালে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে এলএনজিবাহী জাহাজটির সঙ্গে টার্মিনালের সংযোগ স্থাপন করা হয়। এরপর জাহাজ থেকে ভাসমান টার্মিনালে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্পট মার্কেট থেকে কেনা এই এলএনজি কার্গোটি দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য ব্যবহার করা হবে।
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসেও বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে স্পট মার্কেটের মাধ্যমে একাধিক এলএনজি কার্গো আমদানি করা হয়। এসব কার্গোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গানভোর, ইন্দোনেশিয়া থেকে টোটালএনার্জি এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে আরামকো সিঙ্গাপুরের মাধ্যমে কেনা এলএনজিও ছিল।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ১ অক্টোবর দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশে গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ ছিল দৈনিক ২ হাজার ৬২৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে পাওয়া গেছে ১ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুট। আমদানি করা এলএনজি থেকে সরবরাহ হয়েছে ১ হাজার ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে আরও এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এই দুই মাসে মোট ১৯টি এলএনজি কার্গো আমদানি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে অক্টোবরে ১০টি এবং নভেম্বরে ৯টি কার্গো আসার কথা রয়েছে।
এসব এলএনজি কার্গোর একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্র, নাইজেরিয়া ও অ্যাঙ্গোলাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। নতুন কার্গোগুলো দেশে পৌঁছালে গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতিতে আরও সহায়তা করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
সদ্য সংবাদ/এসকে