বিশ্ববাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দাম। মার্কিন ডলারের দর ১৮ মাসের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কিছুটা কমে আসায় বুধবার দুই মাসের সর্বনিম্নে নেমে যাওয়া স্বর্ণের বাজারে ফের চাঙাভাব দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের নতুন করে হিসাব-নিকাশও বাজারে প্রভাব ফেলছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৭ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ১৪১ দশমিক ০৯ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগে বুধবার স্বর্ণের দাম গত ৫ আগস্টের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। সে সময় মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং দেশটির ট্রেজারি বন্ডের সুদহার বৃদ্ধির কারণে মূল্যবান এই ধাতুটির দামে চাপ তৈরি হয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ফিউচার মূল্যও বেড়েছে। এদিন ফিউচারের দাম ০.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৬৫ দশমিক ১০ ডলারে উঠে আসে।
স্বর্ণের দামের পরবর্তী গতিপথে এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার নীতি। চলতি বছর আরও এক দফা সুদহার বাড়ানো হবে কি না, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
সাধারণত সুদহার বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হলে সুদ না দেওয়া সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমতে পারে। বিপরীতে, মার্কিন ডলারের দর দুর্বল হলে অন্যান্য মুদ্রায় স্বর্ণ কেনা তুলনামূলক সস্তা হয়ে যায়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়।
সব মিলিয়ে ডলারের গতিপথ ও ফেডের সুদহার সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর রাখছেন স্বর্ণবাজারের বিনিয়োগকারীরা।
সূত্র: রয়টার্স
সদ্য সংবাদ/এসকে