সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও যারা এখনো নিয়োগপত্র হাতে পাননি, তাদের নিয়ে নতুন করে আশ্বস্ত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে কোনো নির্বাচিত প্রার্থী নিয়োগপত্র না পেলেও হতাশ হওয়ার কারণ নেই। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়োগপত্র পাওয়া-না পাওয়া সংক্রান্ত নানা তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। এতে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।
তিনি জানান, ১ অক্টোবর পর্যন্ত যেসব নির্বাচিত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাবেন না, তাদের বিষয়ও যথাযথভাবে যাচাই করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত পর্যায়ে পর্যায়ে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে।
সরকারি চাকরিতে নিয়োগের আগে প্রার্থীদের বিভিন্ন ধরনের যাচাই ও ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে পুলিশি যাচাই সম্পন্ন হওয়া প্রার্থীদের হাতে গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়েছে। নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদানের কথা রয়েছে।
এদিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া কয়েকজন প্রার্থী এরই মধ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ের পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকেও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। পরবর্তী সময়ে মে মাসে নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশি যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের নথিপত্রের পাশাপাশি তাদের অতীত কর্মকাণ্ডও যাচাই করা হয়।
এর আগে গত ৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত কোনো প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হবে না।
সদ্য সংবাদ/এসএস