সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে জাজান ও নাজরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় তিনজন সামান্য আহত হয়েছেন। এ সময় বিমানবন্দরের কিছু স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
দেশটির জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) জানিয়েছে, হামলার পর আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে বিমানবন্দর দুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সৌদি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, জাজানের কিং আবদুল্লাহ বিন আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং নাজরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দুটিই হামলার শিকার হয়েছে। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট জরুরি সেবা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো নির্ধারিত প্রটোকল অনুযায়ী কাজ শুরু করে।
হামলায় বিমানবন্দরগুলোর কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ধারণে পর্যালোচনা চলছে। একই সঙ্গে যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম সুরক্ষিত রাখতে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
তবে হামলার জন্য এখনো কোনো পক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করেনি সৌদি আরব। এর মধ্যেই ইয়েমেনের হুতি আন্দোলন সৌদি ভূখণ্ডের বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে।
হুতিদের দাবি, জাজান ও নাজরানের পাশাপাশি রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আবহা বিমানবন্দর এবং রাবিগ এলাকায় সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনাসহ কয়েকটি সামরিক অবস্থানেও হামলা চালানো হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের হুতিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সাম্প্রতিক সংঘাতের উত্তেজনার মধ্যেই এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে। সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করার পর পাল্টা হিসেবে সৌদি ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়ানোর দাবি করছে হুতিরা।
ঘটনার পর সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস