ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছেন শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে) দলের সংসদ সদস্য সঞ্জয় রাউত। তাঁর দাবি, আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের পতন ঘটতে পারে। চলমান বিক্ষোভকে তিনি ‘জনবিদ্রোহ’ হিসেবেও অভিহিত করেছেন।
শনিবার পুনেতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব মন্তব্য করেন রাউত। একই সঙ্গে দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে পুলিশের বাধা ও যানবাহন আটকে রাখার ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা ব্যক্তিদের বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এই সংসদ সদস্য। তাঁর ভাষ্য, তরুণ ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
মোদি সরকারের ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা নিয়ে রাউত বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যেই সরকার পতনের মুখে পড়তে পারে। মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়ে দেশে জাতীয় সরকার গঠিত হওয়ার সম্ভাবনাও দেখছেন তিনি।
এদিকে শনিবার দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সিজেপির প্রধান অভিজিৎ দীপকেকে পুলিশ আটক করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারীদের রাজধানীতে প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়টি সামনে আনেন রাউত।
তাঁর দাবি, দিল্লির বাইরে প্রায় ১৫ হাজার যানবাহন আটকে রাখা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা যাতে রাজধানীতে পৌঁছাতে না পারেন, সে জন্য ট্রেন চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ধরনের পদক্ষেপকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের দমনমূলক ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করেন শিবসেনার এই নেতা।
সদ্য সংবাদ/এসএস