ভারতে রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি এবার সুদিনের অপেক্ষায়: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

স
সদ্য সংবাদ ডেস্ক
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৭:৩৭
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের বিক্ষোভ, শিক্ষাক্ষেত্রে অনিয়ম এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে জনমনে তৈরি হওয়া ক্ষোভ তাঁর রাজনৈতিক তৎপরতায় নতুন গতি এনেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত তরুণদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের কাছে নিজের রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর প্রপৌত্র এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নাতি রাহুল। তাঁর বাবা রাজীব গান্ধীও দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম হলেও নিজের স্বতন্ত্র নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে নানা বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। ৫৬ বছর বয়সে এসে মোদির নেতৃত্বকেন্দ্রিক রাজনৈতিক ধারার বিপরীতে দাঁড়িয়ে নতুন সমর্থকগোষ্ঠী গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন এই কংগ্রেস নেতা।

রাহুলের অভিযোগ, ভারতে সাধারণ মানুষের অধিকার ক্রমেই সীমিত হয়ে আসছে। কলেজে ভর্তির পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষা বাতিল এবং তা ঘিরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় তাঁর বক্তব্য বিশেষ গুরুত্ব পায়। ওই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনাও আলোচনায় আসে। এর কয়েক সপ্তাহ পর ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ঘটনায় দেশজুড়ে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়লে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে রাহুলের সমালোচনাও নতুন করে সামনে আসে।

লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক নীরজা চৌধুরীর মতে, সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের জমে থাকা ক্ষোভ এবং রাজনৈতিক পরিসরে নতুন উদ্দীপনার ঘাটতি রাহুলের বক্তব্যকে গ্রহণযোগ্য করে তুলছে। তাঁর মূল্যায়ন, এসব পরিস্থিতি কংগ্রেস নেতাকে আগের চেয়ে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।

তবে এই জনসমর্থনকে কাজে লাগিয়ে ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেসকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। রাহুলের প্রচেষ্টা সফল হলে বিজেপির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আধিপত্যও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

পরাজয়ের ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা

রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক জীবন ধারাবাহিক সাফল্যে ভরা নয়। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল বিজেপির কাছে একের পর এক নির্বাচনে পরাজয়ের মুখে পড়েছে কংগ্রেস। এমনকি একসময় তাঁর বাবা রাজীব গান্ধীর দখলে থাকা আসনেও হারতে হয়েছে রাহুলকে। তাঁর মা সোনিয়া গান্ধীও দীর্ঘদিন দলটির নেতৃত্ব দিয়েছেন।

নিজের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি নতুনভাবে গড়ে তুলতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে দেশজুড়ে পদযাত্রা শুরু করেন রাহুল। ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ নামের এই কর্মসূচিতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মাইল পথ অতিক্রম করেন তিনি। ১৩৬ দিনব্যাপী ওই যাত্রার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের জীবনযাপন থেকে বিচ্ছিন্ন একজন অভিজাত নেতা হিসেবে তাঁর যে ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল, তা বদলে দেওয়া।

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেসের আসনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে জোটের সহায়তায় সরকার গঠন করতে বাধ্য হয়। নির্বাচনের পর লোকসভায় বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পান রাহুল গান্ধী।

এরপর থেকে নির্বাচনি ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে আসছেন তিনি। মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় কারসাজির অভিযোগ তোলেন রাহুল। বিহারের নির্বাচন ঘিরেও একই ধরনের অভিযোগ করেন তিনি।

এক বছর আগে শুরু হওয়া ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রমে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা। তাঁর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতাসীনরা রাজনৈতিক সুবিধা পেয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন বলেছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। সমালোচকদের দাবি, এ প্রক্রিয়ায় মুসলিমসহ বিজেপিবিরোধী হিসেবে বিবেচিত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ভোটাররা তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

গত সপ্তাহে চেন্নাইয়ে আয়োজিত এক জনসভায় রাহুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বুঝতে পারছেন না যে তাঁর রাজনৈতিক কৌশল প্রয়োগের সময় ফুরিয়ে আসছে। তবে বিজেপির নেতারা তাঁর বক্তব্যকে অতিরঞ্জিত বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের মতে, তরুণদের একটি অংশের মধ্যে রাহুল জনপ্রিয়তা পেলেও তাঁর এ ধরনের অবস্থান অন্য শ্রেণির ভোটারদের দূরে সরিয়ে দিতে পারে।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। তাঁর দাবি, দলটি বড় ধরনের পরাজয়ের দিকে এগোচ্ছে এবং নেতিবাচক রাজনীতি কংগ্রেসকে কোনো সুবিধা এনে দেবে না।

তরুণদের অভিজ্ঞতাকে রাজনীতির মঞ্চে আনছেন

চেন্নাইয়ের ওই সমাবেশে তরুণদের মঞ্চে ডেকে তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সমস্যার কথা তুলে ধরার সুযোগ দেন রাহুল। ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ বা ‘তরুণদের কণ্ঠস্বর’ নামের প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয় অনুষ্ঠানটি। রাজনৈতিক জবাবদিহি, শিক্ষাব্যবস্থার সংকট ও সামাজিক বৈষম্য নিয়ে তরুণদের অসন্তোষ সামনে আনতে গত জুনে কর্মসূচিটি শুরু করেছিলেন তিনি।

সমাবেশে এক তরুণী জানান, মেডিকেল কলেজে ভর্তির কঠিন পরীক্ষার চাপের মধ্যে তাঁর বোন আত্মহত্যা করেছিলেন। আরেক বক্তা মুসলিম ও নারী হিসেবে বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে রাহুলের ‘পিতৃতন্ত্র ধ্বংস করো’ স্লোগানটি বিশেষভাবে নজর কাড়ে ১৮ বছর বয়সী রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ঋতিকা র‍্যাচেল প্রবীণের। তাঁর মতে, ভারতের মতো দেশে কোনো রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থার অবসানের আহ্বান শোনা নতুন ও উৎসাহব্যঞ্জক অভিজ্ঞতা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক যোগেন্দ্র যাদব ২০০৭ সাল থেকে রাহুলকে চেনেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রচারণায় তাঁর সঙ্গে কাজও করেছেন তিনি। যাদবের বর্ণনায়, রাহুল বই পড়তে এবং নতুন ধারণা সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। তবে তিনি কিছুটা লাজুক এবং স্বাভাবিকভাবে দক্ষ বক্তা নন। এ কারণে জনসমক্ষে কথা বলার সময় তাঁকে অনেক ক্ষেত্রে অস্বস্তিতে পড়তে দেখা যায়।

এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয় হয়েছেন রাহুল। ছোট ছোট ভিডিওতে হাস্যরসের সঙ্গে রাজনৈতিক বক্তব্য তুলে ধরছেন তিনি। সাধারণ পোশাক, শরীরচর্চা ও ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন দিক সামনে এনে নিজের পরিচিত রাজনৈতিক ভাবমূর্তির বাইরে আরেকটি দিক তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।

গত আগস্টে ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ পর্বে নিজের শরীরচর্চার অভ্যাস সম্পর্কে জানান কংগ্রেস নেতা। মার্শাল আর্ট, সাঁতার, দৌড়, শক্তিবর্ধক ব্যায়াম ও যোগব্যায়ামের পাশাপাশি উচ্চ প্রোটিন এবং কম শর্করাযুক্ত খাবার খাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

রাজপথে প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার বিভিন্ন দৃশ্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জুলাইয়ে বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রাকে সঙ্গে নিয়ে মোদির সরকারি বাসভবনের বাইরে অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দেন রাহুল। ওই সময় পুলিশ তাঁকে টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে নিচ্ছে এমন ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। চলতি মাসেও পুলিশের বাধার মুখে তাঁর প্রতিবাদ এবং ব্যারিকেডের ওপর উঠে পড়ার দৃশ্য আলোচনায় আসে।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও দক্ষিণ এশীয় রাজনীতি বিশ্লেষক আশুতোষ ভার্শনির মতে, এ ধরনের ঘটনা মোদি ও বিজেপির বিরুদ্ধে রাহুলের রাজনৈতিক অবস্থানকে দৃশ্যমান করেছে। তবে এসব তৎপরতা মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ক্ষেত্রে কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয় বলে মনে করেন তিনি।

ধর্মনিরপেক্ষতার বার্তা দিয়ে সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা

তরুণদের সমর্থন আদায়ের পাশাপাশি বিজেপির হিন্দু জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিপরীতে নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরছেন রাহুল গান্ধী। বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ভারতের সংবিধানের একটি কপি হাতে তাঁর উপস্থিতিও এই রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

কংগ্রেসের স্বাধীনতাসংগ্রামের ঐতিহ্য সামনে এনে সংবিধানে স্বীকৃত গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধ রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বিরোধী জোটের শরিক দলগুলোকে নিজেদের মতপার্থক্য দূরে রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন।

নীরজা চৌধুরীর মতে, রাহুলকে এখন আর কেবল বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দেখা হচ্ছে না; তিনি মোদির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেও আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ভারতের রাজনীতির লড়াই ক্রমেই ‘মোদি বনাম রাহুল’ দ্বৈরথের দিকে এগোচ্ছে।

বিরোধী জোটের শরিক একটি দলের নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্যও মনে করেন, বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে জাতীয় পর্যায়ে কংগ্রেসের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, বিজেপি দেশের রাজনৈতিক পরিসরে এমনভাবে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করেছে যে পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপরই দলটির প্রভাব তৈরি হয়েছে।

রাহুলের দাবি, ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় পরিচয় বর্তমানে হুমকির মুখে। গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জনমত, মনস্তাত্ত্বিক লড়াই, আইনি প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক পরিসর বিভিন্ন ক্ষেত্রেই এই সংঘাত চলছে। তাঁর ভাষ্য, কংগ্রেস প্রতিটি ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এবং অগ্রগতিও অর্জন করছে।

তরুণদের অসন্তোষকে কতটা কার্যকর রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারবেন রাহুল, তা এখনো অনিশ্চিত। তবে সাম্প্রতিক কর্মসূচি ও বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, মোদিবিরোধী আন্দোলনে নতুন প্রজন্মকে যুক্ত করাকে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। এই প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি ও নির্বাচনি সম্ভাবনায় কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।

সদ্য সংবাদ/এআর

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে পদত্যাগ করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম সদ্য. কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে ৫০-৬০ যানবাহনে ডাকাতি সদ্য. ভারতে রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি এবার সুদিনের অপেক্ষায়: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস সদ্য. মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, সমর্থন নেমে ৩১ শতাংশে সদ্য. জুলাই আন্দোলনের প্রথম কোনো আসামি মুক্তি পেলেন কারাগার থেকে সদ্য. আট মাসে পদত্যাগ করলেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সদ্য. রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদ্য. সব ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ি: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে জ্বালানি খাত: অর্থমন্ত্রী সদ্য. প্রধানমন্ত্রী ফজরের নামাজের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করেন: আইনমন্ত্রী সদ্য. দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে পদত্যাগ করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম সদ্য. কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে ৫০-৬০ যানবাহনে ডাকাতি সদ্য. ভারতে রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি এবার সুদিনের অপেক্ষায়: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস সদ্য. মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, সমর্থন নেমে ৩১ শতাংশে সদ্য. জুলাই আন্দোলনের প্রথম কোনো আসামি মুক্তি পেলেন কারাগার থেকে সদ্য. আট মাসে পদত্যাগ করলেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সদ্য. রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদ্য. সব ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ি: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে জ্বালানি খাত: অর্থমন্ত্রী সদ্য. প্রধানমন্ত্রী ফজরের নামাজের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করেন: আইনমন্ত্রী