জ্বালানি তেলের নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর তা প্রত্যাহার করে আগের মূল্য পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেছেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে পণ্য ও শিল্প উৎপাদনের খরচেও পড়তে পারে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান তিনি।
এর আগে রোববার রাতে সরকার চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। নতুন দর অনুযায়ী, ডিজেল ১৩৫, পেট্রল ১৬০, অকটেন ১৬৫ এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে। সংগঠনটির দাবি, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে পরিবহন, যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের ব্যয়ও বাড়তে পারে।
বিবৃতিতে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর দাবি, বাড়তি দাম প্রত্যাহার করে আগের মূল্য বহাল করা হলে সাধারণ মানুষের ওপর ব্যয়ের চাপ কিছুটা কমবে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতি আরও বলেছে, অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে পারে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সাধারণ মানুষের জন্য সহায়ক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
তবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
সদ্য সংবাদ/এসকে