রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় কোনো সংসদ সদস্য বা দলীয় নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় প্রতিমন্ত্রী কেন্দ্রটির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং হামলার ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে খোঁজ নেন।
আমিনুল হক বলেন, একটি রাজনৈতিক মহল নিজেদের স্বার্থে ঘটনাটিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। তবে হামলার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় কয়েকজন দলীয় নেতাকর্মী ও একজন সংসদ সদস্যের নাম শোনা যাচ্ছে। তদন্তে তাঁদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। দ্রুত সংস্কার শেষ করে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত ২৫০ জনের বেশি মানুষের একটি দল রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা কেন্দ্রটির নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
হামলার ঘটনায় আনুমানিক ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
এ ঘটনায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহ আলী থানায় মামলা করেছে। মামলায় হানিফ মিয়াকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সদ্য সংবাদ/ এআর