সরকারি সেবা আরও দ্রুত ও সহজ করতে প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি, পদায়ন ও পেনশন ব্যবস্থাপনায় এআই যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিহুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীতে আয়োজিত ‘এআই ও উদ্ভাবন বিষয়ক সংলাপ: ডিজিটাল সরকার, রফতানি সক্ষমতা ও ডিজিটাল সমতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসমাইল জবিহুল্লাহ বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার শুধু গ্রহণকারী হিসেবে নয়, বাংলাদেশকে প্রযুক্তি তৈরি ও রফতানিকারক দেশ হিসেবেও গড়ে তুলতে চায় সরকার। সরকারি সেবা মানুষের কাছে আরও সহজে পৌঁছে দিতে বদলি, পদায়ন ও পেনশন ব্যবস্থায় এআই ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, এআই ব্যবহারের জন্য একটি খসড়া নীতিমালা প্রস্তুত করা হয়েছে। শিগগিরই জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সামা ওবায়েদ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতির আকার এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
এআই প্রযুক্তির সুবিধা কাজে লাগিয়ে দেশের উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সমানতালে প্রতিযোগিতা করতে পারবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
সংলাপে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ডিজিটাল বৈষম্য যেন ভবিষ্যতে এআই বৈষম্যে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে এখন থেকেই গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত এআই ও প্রোগ্রামিংভিত্তিক আধুনিক পাঠ্যক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার।
তিনি আরও জানান, তরুণ উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপগুলোর বিকাশে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে একটি তহবিল গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
সদ্য সংবাদ/এসকে