যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্যরাও রয়েছেন। গত ১০ অক্টোবর পরীক্ষা শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা ও বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তার ও তদন্তের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানোর কথা রয়েছে সংস্থাটির।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী আসাদুল হাবিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, পরিবেশ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর রুবেল ইসলাম, এনবিআরের কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ ওরফে নিলয় এবং প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য মফিজুল ইসলাম ওরফে রাফি, হাসিনুর রহমান সুজন ও এমদাদুর রহমান।
প্রশ্ন ফাঁসের পর স্থগিত হয় পরীক্ষা
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগের জন্য গত ১০ অক্টোবর সকাল ১১টায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে।
পরে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে মূল প্রশ্নপত্রের মিল পাওয়া গেলে পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে পরীক্ষা দিতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা চাকরিপ্রার্থীরা শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিতের খবরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এ ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন তাঁরা।
তদন্তে গঠন করা হয় পাঁচ সদস্যের কমিটি
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিকে প্রথমে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হয়।
প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এসআরবির সংবাদ সম্মেলনে জানা যেতে পারে।
সদ্য সংবাদ/এসকে