মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
রাশেদ খান তার পোস্টে একটি সংবাদমাধ্যমের ফটোকার্ড শেয়ার করেন। ওই প্রতিবেদনে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে না জানিয়ে মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার বিষয়ে শফিকুর রহমানের বিস্ময়ের কথা তুলে ধরা হয়।
পোস্টের ক্যাপশনে রাশেদ খান জামায়াত আমিরকে ‘জান্নাতি দাদু’ সম্বোধন করে সরকারের উচ্ছেদ কার্যক্রমে জামায়াতের বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, সড়ক থেকে অটোরিকশা সরানো, বস্তিবাসীদের স্থানান্তর এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করার বিভিন্ন উদ্যোগেও বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে।
তবে শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেছেন। মিরপুরের হোপ মার্কেট এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পর দেওয়া ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, উচ্ছেদের আগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
শফিকুর রহমানের ভাষ্য, স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে তাকে আগে জানানো হলে জনগণের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি আরও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের সুযোগ ছিল। সংঘাত এড়িয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ সচল রাখার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের যাতে অযথা ক্ষতির মুখে পড়তে না হয়, সেদিকেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন জামায়াত আমির।
এর আগে বুধবার মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে পুলিশ, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস