গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়েছে ভারত ও শুবমান গিল। ৮১১ রানের ম্যাচে ক্যারিবীয়দের ৪০৫ রানের বিশাল সংগ্রহ পেরিয়ে মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে ভারত।
বুধবার টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় সংগ্রহ এনে দেন জন ক্যাম্পবেল, শাই হোপ ও আমির জাঙ্গু। তিন ব্যাটারের সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৪০৫ রান সংগ্রহ করে ক্যারিবীয়রা। ওয়ানডেতে তৃতীয়বারের মতো প্রতিপক্ষকে চারশর বেশি রান করতে দেখল ভারত।
জবাবে শুরু থেকেই রান তোলার গতি বাড়িয়ে দেয় ভারত। ৭০ বলেই দলীয় রান একশ পার হয়। ১৩০ বলে দুইশ এবং ১৭৮ বলেই তিনশ রান পূর্ণ করে তারা। উদ্বোধনী জুটিতে শুবমান গিল ও রোহিত শর্মা যোগ করেন ২৫৫ রান।
৭২ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার মাত্র তিন বল পর আউট হন রোহিত। ১০ চার ও ছক্কায় সাজানো তাঁর ১০১ রানের ইনিংস ভারতকে বড় লক্ষ্যের পথে এগিয়ে দেয়।
এরপর বিরাট কোহলি ১৯ বলে ২৯ রান করে সাজঘরে ফিরলেও ভারতের জয়ের পথে তা কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। কোহলি ফেরার সময় দলের সংগ্রহ ছিল ৩২০ রান। বাকি কাজটা করেন অধিনায়ক গিল।
দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ে ১১৭ বলে দুইশ পূর্ণ করেন গিল। শেষ পর্যন্ত ১৩৩ বলে ২২৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ২৬টি চার ও ৮টি ছক্কা। এর আগে ভারতের অধিনায়ক হিসেবে ৬২ বলে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়েছিলেন তিনি। এবার রান তাড়ায় ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডও নিজের করে নিলেন ডানহাতি এই ব্যাটার।
জয়ের সময় গিলের সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। তাঁর সংগ্রহ ছিল ৩১ রান। ৪৩.৩ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৪০৬ রান তুলে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।
এবারই প্রথম ওয়ানডেতে ৪০০-এর বেশি রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি গড়ল ভারত। এর আগে তাদের সর্বোচ্চ সফল রান তাড়ার রেকর্ড ছিল ৩৬০। আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে ৪০০-এর বেশি রান তাড়া করে জয়ের ঘটনা এর আগে ঘটেছিল একবারই। ২০০৬ সালে ওয়ান্ডারার্সে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৩৮ রান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
সদ্য সংবাদ/ এআর