ম্যাচ খেলতে দলের সঙ্গে লস অ্যাঞ্জেলেস যাওয়ার কথা ছিল আর্জেন্টাইন ফুটবলার মাতিয়াস পুররাইনের। কিন্তু বিমানে ওঠার আগেই মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হয়েছেন তিনি। পরিবারের দাবি, বৈধ ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন এই ফুটবলার। এমনকি স্থায়ী বসবাসের অনুমতির আবেদনও প্রক্রিয়াধীন ছিল। বৃহস্পতিবার ফোর্ট লডারডেল বিমানবন্দরে ঘটে এই ঘটনা।
মায়ামি থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসগামী অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। সে সময় আইস কর্মকর্তারা তাকে আলাদা করে নিয়ে যান। প্রথমে কয়েক মিনিটের জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলা হলেও পরে আর তাকে ছাড়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তার ভাই হুয়ান পুররাইন।
ঘটনার পর তাকে মায়ামির কুখ্যাত ক্রোম ডিটেনশন সেন্টারে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবারের দাবি, সাত বছর আগে বৈধ ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন পুররাইন। এরপর থেকে নিয়মিত কাজ করেছেন, কর পরিশোধ করেছেন এবং বর্তমানে তার স্থায়ী বসবাসের অনুমতির (গ্রিন কার্ড) আবেদনও প্রক্রিয়াধীন ছিল।
এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে তার ক্লাব ক্লাব দে লিয়ন এফসি। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, পুররাইন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন না; তিনি কেবল দেশের ভেতরেই এক শহর থেকে অন্য শহরে ম্যাচ খেলতে যাচ্ছিলেন। ক্লাবের ভাষ্য, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনা উদ্বেগজনক।
পুররাইনের পরিবারের দাবি, এই ঘটনার পর আতঙ্কে দলের আরও কয়েকজন বিদেশি খেলোয়াড় নির্ধারিত সফর বাতিল করেছেন।
বর্তমানে পুররাইন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় স্তরের ফুটবল লিগ ন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট সকার অ্যাসোসিয়েশন (NISA)–এর ক্লাব ক্লাব দে লিয়ন এফসি–র হয়ে খেলছেন। তার আইনজীবী দ্রুত জামিন চেয়ে আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে এল পাইস।
সদ্য সংবাদ/এসআর