এর কয়েক ঘণ্টা আগে ওই বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে দুইজন নিহত হন এবং আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর কারখানার মালিকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, ভবনটি অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। এরপরই অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন তিনি।
পুলিশের উপস্থিতিতে ভবনটি খালি করে দ্রুত ভাঙার কাজ শুরু করে কলকাতা পৌরসভা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পৌরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
এর আগে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘বুলডোজার নীতি’ চালুর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
তবে বিরোধী দলগুলো দ্রুত এ উচ্ছেদ অভিযানের সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে পরিচালিত এ অভিযান অসাংবিধানিক এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।