বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার সময় জাতিসংঘের একটি গাড়ি হামলার শিকার হয়। পরে ত্রাণ বিতরণ চলাকালে আরেকটি গাড়িকে লক্ষ্য করেও দ্বিতীয় দফায় ড্রোন হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ ও স্থানীয় সূত্র।
এদিকে বুধবার (১৩ মে) থেকে ইউক্রেনজুড়ে শুরু হওয়া ব্যাপক রুশ আকাশ হামলায় গত দুই দিনে অন্তত ১৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। রাজধানী কিয়েভে একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সেটি ধসে পড়ে। এখন পর্যন্ত ভবনটির ধ্বংসস্তূপের নিচে অন্তত ২০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
নিখোঁজদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটি অন্যতম ভয়াবহ আকাশ হামলা। গত ৪৮ ঘণ্টায় রাজধানী কিয়েভসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রুশ বাহিনী।
এ হামলায় বিদ্যুৎ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি সেবা কার্যক্রম জোরদার করেছে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ।