স্থানীয় প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ৩ হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। বহু মানুষ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ পাশের মুরিওকা শহরে চলে গেছেন।
দাবানল নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে এক হাজারেরও বেশি দমকল কর্মী দিনরাত কাজ করছেন। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি টোকিওসহ আরও পাঁচটি অঞ্চল থেকে বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল অভিযানে যোগ দিয়েছে। দুর্গম ভূ-প্রকৃতির কারণে আগুন নেভাতে জাপানের সেলফ-ডিফেন্স ফোর্সের হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আকাশ থেকে পানি ছিটানো হচ্ছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সূত্র জানায়, জাপানের ইতিহাসে এটি এখন পর্যন্ত তৃতীয় বৃহত্তম দাবানলের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা এবারও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে ওই অঞ্চলে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাতাসের গতি বাড়লে উপকূলীয় এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও রয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে এবং উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।