হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার হাজতে থাকা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপুর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই ঘটনায় পুলিশের অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণের অভিযোগে শাহ জুয়েল মিয়া নামে ২৪ বছর বয়সী এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান ও এক নারী কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হোসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে এসআই আসিফের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নবীগঞ্জের উমরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাহ তপুকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ওই এলাকার শাহ ফিরোজ মিয়ার ছেলে এবং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর থানার হাজতে থাকা অবস্থায় শাহ তপুর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর হাজতের ভেতরে কীভাবে ভিডিও ধারণ করা হলো, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এ ঘটনায় থানার নিরাপত্তাব্যবস্থা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহ তপুকে পানি খাওয়ানোর কথা বলে হাজতে গিয়ে ভিডিও ধারণ করেন একই গ্রামের বাসিন্দা শাহ জুয়েল মিয়া। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণের অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে।
ওসি মো. আবুল হোসেন জানান, এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ভিডিও ধারণের অভিযোগে জুয়েলকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সদ্য সংবাদ/এসএস