প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রায় ১২৩ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। এর মধ্যে এক-চতুর্থাংশেরও বেশি আসবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, যা এখনো বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে শীর্ষে অবস্থান করছে।
এদিকে, আইএমএফ অনুযায়ী শীর্ষ পাঁচ অর্থনীতি দেশের মধ্যে রয়েছে :
- যুক্তরাষ্ট্র: প্রায় ৩২ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার
- চীন: প্রায় ২০ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার
- জার্মানি: প্রায় ৫ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার
- জাপান: প্রায় ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার
- যুক্তরাজ্য: প্রায় ৪ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার
এই তালিকায় প্রায় ৪ দশমিক ১৫ ট্রিলিয়ন ডলার জিডিপি নিয়ে ভারত ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূলত মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান কমে যাওয়া এবং জিডিপি হিসাবের পদ্ধতিগত পরিবর্তনের কারণে ভারতের অবস্থানে এই পরিবর্তন এসেছে। গত এক বছরে রুপির মান প্রায় ১০ শতাংশ কমে যাওয়ায় ডলারে হিসাব করলে ভারতের অর্থনীতির আকার তুলনামূলকভাবে ছোট দেখা যাচ্ছে।
এছাড়া ২০২২-২৩ সালকে নতুন ভিত্তি বছর ধরে জিডিপি হিসাব হালনাগাদ করায় আগের তুলনায় কিছু পরিসংখ্যানও পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে আইএমএফ বলছে, এই অবস্থান স্থায়ী নয়। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারত ২০২৭ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্য ও জাপানকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। এমনকি ২০৩১ সালের মধ্যে জার্মানিকে পেছনে ফেলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হলেও বৈশ্বিক মুদ্রার ওঠানামা এবং অভ্যন্তরীণ পরিসংখ্যানগত পরিবর্তন ভারতের সাময়িক অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।