যে ৫ শর্তে আটকে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:৩১
দীর্ঘ সামরিক উত্তেজনা ও যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হলেও তা এখন প্রায় অচলাবস্থায়। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত নিয়ে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানো প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের আলোচনার টেবিলে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৫টি শর্ত। বিষয়গুলো নিয়ে কোনো পক্ষই নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে না।

বাধা হয়ে দাঁড়ানো ৫টি শর্ত:
১. যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। কিন্তু ইরান সাফ জানিয়েছে, এই বিধিনিষেধ কেবল নির্দিষ্ট কয়েক বছরের জন্য হতে পারে, কোনোভাবেই তা স্থায়ী হবে না।

২. বর্তমানে ইরানের হাতে থাকা ৪০০ কেজি (৮৮০ পাউন্ড) উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই মজুত পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে রাখতে হবে। ইরান এই প্রস্তাবকে শুরু থেকেই নাকচ করে আসছে।

৩. অবরোধ প্রত্যাহার ইস্যুতে দুই পক্ষই নিজ অবস্থানে অনড়। ইরান জানিয়েছে, তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। অন্যদিকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি—চূড়ান্ত চুক্তির আগে কোনো অবরোধ তোলা হবে না।

৪.  একটি দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান বিদেশে তাদের আটকে থাকা প্রায় ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার অর্থ ফেরত দেওয়ার শর্ত দিয়েছে। একইসঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে তারা।

৫. সবচেয়ে বড় চমক এসেছে ক্ষতিপূরণের দাবিতে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাদের যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার বিনিময়ে দেশ দুটিকে সম্মিলিতভাবে প্রায় ২৭ হাজার কোটি (২৭০ বিলিয়ন) ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

আন্তর্জাতিক কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, এই পাঁচ শর্তের মারপ্যাঁচে শান্তি আলোচনা এখন কার্যত খাদের কিনারায়। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতি এবং ইরানের অনমনীয় অবস্থান ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে পারে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. পরাশক্তিগুলোর অনুধাবন করা উচিত, ক্ষমতা অসীম নয়: গুতেরেস সদ্য. জাতিসংঘে ভাষণে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি জানালেন এরদোয়ান সদ্য. জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ১০০০ টাকার নোট বাতিল চেয়ে আইনি নোটিশ সদ্য. নাশকতা দমনে ব্যর্থতা ঢাকতে বিএনপি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য বিকৃত করছে: এনসিপি সদ্য. বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায় ভারত, জানালেন জয়সওয়াল সদ্য. শ্রীমঙ্গলে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৩ সদ্য. প্রাথমিকে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ চূড়ান্ত, যোগদান ১ অক্টোবর সদ্য. দুর্গাপূজার ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না সদ্য. বিএনপিতে সুবিধাবাদীদের দাপট, হতাশ ত্যাগী নেতাকর্মীরা সদ্য. পরাশক্তিগুলোর অনুধাবন করা উচিত, ক্ষমতা অসীম নয়: গুতেরেস সদ্য. জাতিসংঘে ভাষণে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি জানালেন এরদোয়ান সদ্য. জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ১০০০ টাকার নোট বাতিল চেয়ে আইনি নোটিশ সদ্য. নাশকতা দমনে ব্যর্থতা ঢাকতে বিএনপি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য বিকৃত করছে: এনসিপি সদ্য. বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায় ভারত, জানালেন জয়সওয়াল সদ্য. শ্রীমঙ্গলে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৩ সদ্য. প্রাথমিকে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ চূড়ান্ত, যোগদান ১ অক্টোবর সদ্য. দুর্গাপূজার ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না সদ্য. বিএনপিতে সুবিধাবাদীদের দাপট, হতাশ ত্যাগী নেতাকর্মীরা