শুক্রবার (১ মে) এমএসএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা, ইরান দ্রুত তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে, যাতে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা হামলা চালানো সম্ভব হয়।
প্রতিবেদনে এক মার্কিন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট আরও দুই ব্যক্তির বরাত দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বিমান হামলার পর যেসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ মাটির নিচে বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিল, সেগুলো উদ্ধার করতে তেহরান বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, গত কয়েক দিনে এই উদ্ধার তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির এই সময়কে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করে ইরান তার সামরিক প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতে চাইছে।
এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন বলে হোয়াইট হাউস সূত্র জানিয়েছে।
জানা গেছে, সেখানে হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখা, সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ এবং ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করার মতো বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে।