প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জানুয়ারিতে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভ চলাকালে তারা তেহরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায় এবং অস্ত্রাগার দখলের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে জানুয়ারিতে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুতই দেশব্যাপী আন্দোলনে রূপ নেয়। পরে তা ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের দাবিতে রূপ নেয়। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর এটিকে অন্যতম সহিংস সংঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যেখানে বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। তবে সরকারের দাবি, বিক্ষোভে বিদেশি শক্তির মদদ ছিল।
এদিকে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সম্প্রতি জানায়, ২ এপ্রিল গজল হেসার কারাগারে আমির হোসেন হাতামি নামে এক কিশোরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিগলারি ও ওয়াহিদিপারস্তসহ আলী ফাহিম এবং আবুল ফজল সালেহি শিয়াভাশানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়।
বিগলারি ও ওয়াহিদিপারস্তের দণ্ড কার্যকর হওয়ার পর বাকি দণ্ডপ্রাপ্তদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো।