এর আগে আর্সেনালকে হারিয়েও শীর্ষে উঠতে পারেনি সিটি। তখনও তারা তিন পয়েন্ট পিছিয়ে ছিল। তবে সর্বশেষ ম্যাচে জয় পাওয়ায় সেই ব্যবধান মুছে গিয়ে এখন দুই দলের পয়েন্ট সমান হয়ে দাঁড়িয়েছে।
৩৩ ম্যাচ শেষে ম্যানচেস্টার সিটি ও আর্সেনাল—দুই দলেরই পয়েন্ট এখন ৭০। জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানও সমান। তবে বেশি গোল (৬৬) করায় গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শীর্ষে আছে সিটি। আর্সেনালের গোল সংখ্যা ৬৩।
কয়েকদিন আগেও শিরোপার দৌড়ে স্পষ্ট এগিয়ে ছিল আর্সেনাল। ১১ এপ্রিল পর্যন্ত তারা ৯ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল। কিন্তু এরপর হঠাৎ ছন্দপতন ঘটে মিকেল আর্তেতার দলের। বোর্নমাউথের কাছে হার এবং ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর মাত্র ১১ দিনের ব্যবধানে শীর্ষস্থান হারায় তারা।
বার্নলির বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় সিটি। মাত্র ৫ মিনিটেই গোল করেন আর্লিং হালান্ড। এরপর একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি তারা।
ম্যাচ শেষে কোচ পেপ গার্দিওলা বলেন, “আমরা সুযোগ পেয়েছিলাম, তবে শেষ মুহূর্তে ক্লান্তির কারণে ফিনিশিং ঠিকঠাক হয়নি। ২-০ হলে ম্যাচটা আরও স্বস্তিদায়ক হতো।”
লিগে এখন বাকি মাত্র পাঁচটি ম্যাচ। দুই দলই যদি সব ম্যাচে জয় পায়, তাহলে পয়েন্ট দাঁড়াবে ৮৫। সেক্ষেত্রে শিরোপা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে গোল ব্যবধান বা গোল সংখ্যা।
এদিকে সিটির কিছু মিস করা সুযোগ নিয়ে সতর্ক করেছেন গ্যারি নেভিল। তার মতে, “শিরোপা দৌড়ে এই ধরনের মিস করা সুযোগগুলো শেষ পর্যন্ত বড় মূল্য দিতে পারে।”