চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সেতু (নতুন ব্রিজ) এলাকায় পুলিশ বক্সের বিপরীত পাশে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা ও সেবনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতির কাছাকাছি এলাকায় দিন-রাত এসব কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে পুলিশের ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, রাব্বি ও জয়নাল নামের দুই ব্যক্তি ওই এলাকার মাদক বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত। তাঁদের সঙ্গে ইমনসহ আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ইমনের নেতৃত্বে একটি দল সাধারণ মানুষকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগে আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন তাঁরা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাকিব, রাকিব, আলাউদ্দিন, রাশেদ, শাকিল, রানা ও জাফর। স্থানীয়দের দাবি, তাঁদের একটি দল এলাকায় মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনায় জড়িত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মাদক বেচাকেনা কিংবা কথিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলে তাঁদের কেউ কেউ হামলা ও মারধরের শিকার হন। এ বিষয়ে পুলিশকে একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর প্রতিকার মেলেনি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এলাকাবাসীর দাবি, অভিযোগগুলো তদন্ত করে মাদক বেচাকেনা ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে নতুন ব্রিজ এলাকার নিরাপত্তা জোরদার এবং মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
সদ্য সংবাদ/এআর