আলোচিত সুবর্ণা ঠাকুর গোপালঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হলে, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবুদ্দিন আজম স্বাক্ষরিত তালিকার ২৭ নম্বরে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সুবর্ণা ঠাকুরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অন্যদিকে, বিএনপির ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী তালিকার ২০ নম্বরে রয়েছে তার নাম, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
এ বিষয়ে সুবর্ণা ঠাকুর গণমাধ্যমকে বলেন, 'আওয়ামী লীগের কমিটিতে আমার স্বইচ্ছায় নাম ছিল না। অনুমতি ছাড়াই পদ দেওয়া হয়েছিল। আমি কখনোই আওয়ামী লীগের সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না।'
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে আওয়ামী লীগের নানা অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যা তার বক্তব্য নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে।
গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, 'সুবর্ণা ঠাকুর উপজেলা আওয়ামী লীগের পদে ছিলেন। এখন তিনি তা অস্বীকার করছেন, যা সঠিক নয়। নতুন পদ পাওয়ার জন্য তিনি দলের সঙ্গে প্রতারণা করছেন।'
উল্লেখ্য, সুবর্ণা ঠাকুর মতুয়া সম্প্রদায়ের একজন সদস্য এবং ওড়াকান্দির হরিচাঁদ ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। পেশাগতভাবে তিনি একজন শিক্ষক।