প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার এক দিন আগে ট্রাম্প ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। অন্যথায় দেশটির ওপর ‘চরম বিপর্যয়’ নেমে আসবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।
কুয়েত ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের হামলার জবাব দিচ্ছে।
এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এ সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। ইরান হরমুজ প্রণালিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছে এবং উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক লক্ষ্যবস্তুতেও হামলা চালাচ্ছে, যা তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কার্যক্রমের সঙ্গে সংযুক্ত মনে করছে। তবে হামলা একপাক্ষিক নয়; উল্টো দিক থেকেও পাল্টা আঘাত আসছে।
ইরানের খুজেস্তান প্রদেশের ডেপুটি গভর্নরের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমের একটি পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পকেন্দ্রে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে লিখেছেন, ২৬ মার্চ ইরানকে দেওয়া আলটিমেটামের সময় শেষ হয়ে আসছে, এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ‘চরম বিপর্যয়’ নেমে আসবে।
ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড ট্রাম্পের হুমকি প্রত্যাখ্যান করেছে। জেনারেল আলী আবদোল্লাহি আলিয়াবাদি এটি ‘অসহায়, আতঙ্কিত, ভারসাম্যহীন ও নির্বোধ পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘নরকের দরজা আপনার জন্য খুলে যাবে।’
পরবর্তীতে ট্রাম্প একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন, যেখানে রাতের আকাশে বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যায়। ভিডিওতে লেখা রয়েছে, ‘ইরানের অনেক সামরিক নেতা তেহরানে চালানো বড় হামলায় নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি আরও অনেক কিছু হয়েছে।’ তবে ভিডিওটির সঠিক সময় উল্লেখ করেননি ট্রাম্প।