দিল্লি ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সকাল ৭টার দিকে ওই ভবনের একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৩০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার সঙ্গে সঙ্গে ভেতরে আটকা পড়া বাসিন্দাদের উদ্ধারে কাজ শুরু করে। তবে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার কারণে উদ্ধারকাজে বেশ কিছু সময় লেগেছে।
পুলিশ ও অন্যান্য জরুরি সেবা দানকারী দলও সঙ্গে এসে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা পিটিআইকে বলেন, “ভেতরে বেশ কিছু মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন, এই আশঙ্কা থেকেই আমরা দ্রুত কাজ শুরু করি।”
উদ্ধার অভিযান চলাকালীন সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে তিনজন নাবালক শিশু। আগুন ও ধোঁয়ার কারণে ভবনটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং ভেতরের আসবাবপত্র ও মূল্যবান সামগ্রী প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তারানজিৎ সিং সান্ধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিহতদের পরিবারকে গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছে।”
অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও ফরেনসিক দল আগুনের উৎস ও কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
ঘটনার পর থেকে দিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
সূত্র: এনডিটিভি