প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে তেলভর্তি ছিল। এতে জাহাজটির খোলের ক্ষতি হয়েছে এবং সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আক্রান্ত ট্যাংকারটির ধারণ ক্ষমতা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল, যার বাজারমূল্য ২০ কোটি ডলারের বেশি।
কুয়েতের সামরিক বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা’ প্রতিহত করছে।
বার্তাসংস্থা এএফপি জানায়, গত মাসের শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান পারস্য উপসাগরে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই হামলা চালিয়েছে।