পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিক হান্নান নন। হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের নম্বরের সঙ্গে মাত্র একটি সংখ্যার ভিন্নতার কারণে তাকে ভুলক্রমে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছিল।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১২ ডিসেম্বর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ডিআর টাওয়ারের সামনে মোটরসাইকেলে আসা আসামি ফয়সাল করিম, মাসুদ, রাহুল, দাউদ ও তাদের সহযোগীরা চলন্ত অটোরিকশায় থাকা শরিফ ওসমান হাদীকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাদীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে তিনি মারা যান।
এর আগে, ১৩ ডিসেম্বর র্যাব-২ হান্নানকে মোটরসাইকেলের মালিক সন্দেহে আটক করে পল্টন মডেল থানায় হস্তান্তর করে। পরবর্তী দিন ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড চলাকালে তাকে শোরুম মালিকের সঙ্গে মুখোমুখি করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হান্নানের নামের দুইটি গাড়ি আছে—একটি সুজুকি জিক্সার ও একটি ইয়ামাহা। কিন্তু হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল হোন্ডা ব্র্যান্ডের হর্নেট।
পুলিশের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, হান্নান প্রকৃত মালিক নন এবং নম্বরের ছোট ভুলের কারণে তাকে আটক করা হয়েছিল। এরপর ১৭ ডিসেম্বর রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।