স্থানীয় সময় ভোরে শুরু হওয়া হামলায় তেহরানের পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে ধোঁয়ার স্তূপ ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তেহরানের ৯ নম্বর জেলার মেয়র জানিয়েছেন, শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস স্টেশনে হামলার ফলে সেই এলাকার গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
সংবাদগুলো বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন টেকনোলজি সেন্টার ভবন ও বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদও হামলার আঘাতে কলঙ্কিত হয়েছে। হামলা চালানোর পর fear and evacuation কাজ চলছে এবং আশপাশের বসতবাড়িগুলো থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া তেহরান ছাড়াও কাওম এবং শিরাজসহ শহরগুলোতেও স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গেছে, যেখানে কাওম প্রদেশের এক আবাসিক এলাকা হামলার শিকার হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা নাগরিকদের ঘটনাস্থলে ভিড় না করার অনুরোধ করেছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামনে চুক্তির জন্য ইরানকে মঙ্গলবার সময় বেঁধে দিয়েছেন এবং হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, নাহলে বড় ধ্বংসাত্মক অভিযান চালানো হবে। তিনি বলেছেন ইরানের সঙ্গে আলোচনায় তারা এগিয়ে যাচ্ছে এবং সোমবারের মধ্যে চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও ইরান বারবার স্পষ্ট করে বলেছে তারা কোনো আলোচনা করছে না।
উল্লেখ্য, চলমান সংঘর্ষে তেহরান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, শহীদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশটির কমপক্ষে কয়েকটি শিখছাপ্রতিষ্ঠান আগেও হামলার মুখে পড়েছে।