বুধবার (১৮ মার্চ) রিয়াদে আরব রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ, ইরান পরিকল্পিতভাবে এসব হামলা চালাচ্ছে। যদিও তেহরান এ অভিযোগ অস্বীকার করছে, তবুও হামলার লক্ষ্যবস্তু ও নির্ভুলতা দেখে এটি পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, 'সৌদি আরব কখন এবং কীভাবে এর প্রতিক্রিয়া জানাবে, তা প্রকাশ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।” একই সঙ্গে সতর্ক করে দেন, “আমাদের ধৈর্যের সীমা আছে, তবে তা অসীম নয়।'
এর আগে, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার অভিযোগ ওঠে। কাতারের রাস লাফান গ্যাস স্থাপনা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাবশান গ্যাস স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। কাতার সরকার এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) আগেই হুমকি দিয়েছিল যে, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
এদিকে, সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রিয়াদকে লক্ষ্য করে ছোড়া চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতও একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে।
প্রিন্স ফয়সাল বলেন, চলমান উত্তেজনা শেষ হলেও ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন সহজ হবে না। তার মতে, পারস্পরিক আস্থা ইতোমধ্যেই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হামলা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সেই আস্থা পুনরুদ্ধার প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা