রোববার (২২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে ওপেনহাইমার বলেন, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র কমে আসছে বলে সরকারের দাবি সঠিক নয় এবং সাধারণ জনগণের কাছে প্রকৃত তথ্য গোপন করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর ইসরায়েলের জনমনে ক্ষোভের প্রভাব দেখা গেছে। সামরিক ও কূটনৈতিক ফ্রন্টেও উত্তেজনা প্রশমনের কোনো চিহ্ন নেই। গ্লোবাল পলিসি ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট পাওলো ভন শিরাচ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আকাশ নিয়ন্ত্রণ করলেও ইরানকে হার স্বীকার করতে বাধ্য করা এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।
উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধের প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও পড়ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস’-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বের শীর্ষ ২০টি বিমান সংস্থা প্রায় ৫৩ বিলিয়ন ডলার বাজার মূল্য হারিয়েছে। প্রধান বিমানবন্দরগুলো অচল হয়ে পড়া এবং জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটি ‘আক্রোতিরি’ থেকে পরিচালিত অভিযানের কারণে লন্ডন ও নিকোসিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এছাড়া ইরান-সৌদি সংঘাতও বেড়ে চলেছে। রিয়াদ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান থেকে ছোড়া প্রায় ৬০টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে, যা মূলত সৌদি আরবের পূর্ব প্রদেশ ও ইয়ানবু বন্দরের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করেছিল।
সব মিলিয়ে ইরানের এই সংঘাত কেবল মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কূটনীতিকেও তীব্র প্রভাব ফেলছে।
সূত্র: আল জাজিরা