ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোর অন্যতম সংবেদনশীল এই পদে যোগ দিয়ে যুলঘাদরকে একটি জটিল নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর সামরিক চাপের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জও সামলাতে হবে তাকে।
মোহাম্মদ যুলঘাদরকে একজন গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর সাবেক কমান্ডার এবং ২০২৩ সাল থেকে এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর গঠিত আইআরজিসির প্রথম প্রজন্মের সদস্য হিসেবে তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধ-এ অংশ নেন। কর্মজীবনে তিনি আট বছর আইআরজিসি জয়েন্ট স্টাফের প্রধান এবং আরও আট বছর ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ও বিচারিক পদেও কাজ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের এই নিয়োগ এমন একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ব্যক্তিত্বের প্রয়োজনীয়তাকেই তুলে ধরে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী হিসেবে বিবেচিত লারিজানির শূন্যস্থান পূরণ করতে সক্ষম হবেন। তবে তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া সহজ হবে না বলেও মনে করা হচ্ছে।