খবরে বলা হয়, গত সপ্তাহে সস্ত্রীক এক হত্যাচেষ্টার শিকার হন খারাজি। ওই হামলায় তার স্ত্রী নিহত হন এবং তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরবর্তীতে তার মৃত্যুর খবর জানা যায়।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। বিভিন্ন সূত্রে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ অন্তত ছয়জন শীর্ষ ব্যক্তির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দাবি, তাদের অভিযানে ৫০ জনের বেশি ইরানি নেতা নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তিরা ইরানের শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিশেষ করে পররাষ্ট্রনীতি ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় কামাল খারাজির মৃত্যু তেহরানের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সূত্র: আলজাজিরা