কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কিংস কলেজ লন্ডনের যুদ্ধকৌশল বিষয়ের অতিথি লেকচারার সামির পুরি আল জাজিরাকে বলেন, 'কোনো প্রধান বা সুপারপাওয়ার যখন অন্য দেশকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেয়, তখন শুধু সামরিক শক্তিই গুরুত্বপূর্ণ নয়। পাশাপাশি সেই রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ও কৌশলগতভাবে বিশ্বাসযোগ্য বলেও প্রমাণ করতে হয়।'
তিনি বলেন, 'ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তার বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড গালফ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে প্রশ্ন তুলতে পারে, যুক্তরাষ্ট্র আদৌ দীর্ঘমেয়াদে একটি স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে পারবে কি না।'
বিশেষ করে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের ‘ধ্বংসের আনন্দ’ নিয়ে মন্তব্য ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে সন্দেহ বাড়াতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সামির পুরি জানান, ইরান ও আরব দেশগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগ্রহী। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, যুক্তরাষ্ট্র কি সেই স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
সামির পুরি আরও বলেন, 'এমন মন্তব্য ইতোমধ্যেই র্যাডিকাল ইরানি ধর্মনির্ভর সরকারের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। তাদের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা বা হুমকি নিজেদের অবস্থানকে বৈধতা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করে।'